পাখি পালন অনেকের শখ। আবার
অনেকে পাখি পেলে বাড়তি আয় করেন।
খাঁচায় পালন করা যায় এরকম পাখির
মধ্যে জাভা স্প্যারো অন্যতম।
এই পাখি পালন সম্পর্কে বিস্তারিত
জানাচ্ছেন শৌখিন পাখি পালক শহীদুল
ইসলাম।
জাভা স্প্যারো, অনেকে জাবা ফিঞ্চ
নামে চেনেন। খাঁচার পাখি বাণিজ্যের
ফলে বিশ্বজুড়েই এই পাখি পালন চালু
রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার বালি এলাকায় বসবাস করা
এই পাখি খাঁচায় পালন করা হলেও তাদের
নিজ এলাকায় এরা দলবদ্ধভাবেই বসবাস
করে।
এই পাখি বেশ চঞ্চল। শুধুমাত্র পুরুষ জাভা
গান করে। ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই এরা
গান করা শুরু করে। যে পাখিটি গান করবে
সে পাখিটিকে আলাদা করে একটি
প্লাস্টিকের রিং পায়ে পরিয়ে দিলে
স্ত্রী পুরুষ চেনা সহজ হয়।
একই রংয়ের পাখির বাম পায়ে রিং এবং
অন্য রংয়ের পাখির ডান পায়ে রিং
পরাতে হয়। তবেই সনাক্তকরণে সুবিধা হয়।
স্ত্রী ও পুরুষ ভেদে শব্দের মধ্যে তারতম্য
লক্ষ করা যায়। প্রজনন উপযোগী পুরুষ
জাভার চোখের বৃত্ত গাঢ় রংয়ের হয়। জাভা
পাখির ডাক অনেকটা ছিপ্ছিপ্ছিপ্ছিপ্ এর
মতো শোনা যায়। আর শুধুমাত্র পুরুষ জাভাই
গান করে।
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০১৫
মুরাদনগর ধামঘর নহলচৌমনি পরমতলা দারুরা মুকসাইর বাখরাবাদ কুমিল্লাআমাদের গ্রামের পাখি
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন